বিশ্বজিৎ দাস:করনো ভাইরাসের ফলে সাধারণ মানুষের জীবন স্তব্ধ। বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়েছে কল-কারখানা, বিভিন্ন বেসরকারি অফিস ছাঁটাই করেছে অনেক কর্মীকে। এরকম পরিস্থিতিতে অনেকেই সরকারের টাকার উপর নির্ভরশীল।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আওতায় বিভিন্ন স্কিমে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অক্টোবর মাসের শেষে পুজো শুরু হওয়ার আগেই পুরোহিতদের মাসিক এক হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন।রাজ্যের পুরোহিতের ভাতা দেওয়ার কথা শোনার পর বিভিন্ন পুরোহিত মহল সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ধন্যবাদ মিছিলের আয়োজন করেছিলেন।এবার রাজ্য সরকার নতুন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার পুজোর আগে পুরোহিত ভাতা তো বটেই, সব ধরনের সামাজিক পেনশন, ভাতা, স্কলারশিপ, কন্যাশ্রীর টাকাও প্রাপকদের হাতে পৌঁছে দিতে চায়। জেলা প্রশাসনগুলিকে সেই ভাবে প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার সব দফতর, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে করোনা-আবহে উৎসবের প্রস্তুতিতে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ, সরকারি ছুটি বা উৎসবের জন্য মিড-ডে মিল, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মসূচিও যাতে বাধা না-পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত চালু করতে হবে সহায়তা কেন্দ্র। পুজোয় সরকারি অফিস বন্ধ হবে আগামী শুক্রবারের পরে। অফিস খোলা থাকতেই টাকা ছাড়তে চায় তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর। পশ্চিমবঙ্গের সব জেলায় উপভোক্তার তালিকা দ্রুত পাঠাতে বলা হয়েছে।

পুরোহিত ভাতা নিয়ে মামলা হলেও রায় হয়নি। তাই ভাতা বিতরণ আটকাবে না বলে মনে করছেন আমলা মহল। দুর্গাপূজা আসতে বেশি দেরি নেই। বিভিন্ন মণ্ডপে শুরু হয়েছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি কাজ। এই করোনা কালীন পরিস্থিতিতে ন্যূনতম অবহেলার কারণে করোনা সংক্রমনের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে।তাই জেলায় বিধি মেনে দুর্গাপূজা হচ্ছে কিনা,সে দিকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।