সাহিত্য সমাজ না টানলেও কবিতা টানে

শেয়ার করুন

অভিমান্য পাল (নদিয়া) : একদম ছেলেবেলা থেকে গড়ে উঠেছিল লেখালেখির অভ্যাস। শান্তিপুর ওরিএন্টাল স্কুলে পড়ার সময় স্কুল ম্যাগাজিনে প্রথম কবিতা ছাপা হয়। তখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। সেই থেকেই কবিতা লেখার যাত্রা শুরু। আজও সমান ভাবে লিখে চলেছেন শান্তিপুরের যদুনাথ কাঁসারী পাড়া লেনের বাসিন্দা স্বপন রায় (জন্ম : ১৯৪৮)।

বাবা লক্ষ্মীনারায়ণ রায় ছিলেন শিক্ষক। মা সুভাষিনী দেবী গৃহবধূ। এখনও পর্যন্ত স্বপন রায়ের লেখা কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে ১৮টি। প্রাথমিক শিক্ষা লাভের পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসাহিত্যে ডিপ্লোমা করেন। তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন। তাঁর পাশাপাশি কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ লেখাও চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত বইগুলির মধ্যে অনুক্ত কথাপুঞ্জ, তথাপি সপ্তর্ষি, একবার করতলে মুখ, ছায়াকলস ও শ্রেণিহারা কাক, চল্লিশের কাচঘর উল্লেখযোগ্য। তবে পেশাদার কবি নন তিনি, নিজেকে মফসসলের ক্ষুদ্র পত্রপত্রিকার মানুষ হিসাবে ভাবতেই ভালোবাসেন। তারঁ লেখায় মূলত মানুষ ও প্রকৃতি বহু নামী কবির সান্নিধ্যেও এসেছেন স্বপন রায়। পুরস্কারও পেয়েছেন অনেক।

দ্বিজেন্দ্র লাল রায় স্মৃতি পুরস্কার, কবি কৃত্তিবাস স্মৃতি পুরস্কার, কবি গোপাল ভৌমিক পুরস্কার, একালের কবিকণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার সহ বিভিন্ন সম্মান। এখন সারা বাংলা জুড়ে বিভিন্ন কবিতা উৎসব হয় কিন্তু বর্তমান সমাজ তাঁকে দূরে রেখেছেন, ৭০-এর কবি হলেও আড়ালেই পড়ে রইলেন কবি স্বপন রায়।

শেয়ার করুন

close