অভিমান্য পাল (নদিয়া) : সেই ছেলেবেলা থেকে ছবি আঁকার প্রতি এক অমোঘ টান। হাতেখড়ি হয় কার্টুন শিল্পী শিবশঙ্কর দাসের কাছে। তারপর তাঁরই পরামর্শ নিয়ে ছবি আকেঁন শান্তিপুরের কাঁসারী পাড়া লেনের বাসিন্দা উদয় দাসের পুত্র শিল্পী সুমিত দাস (জন্ম : ১৯৮৪ )। প্রাথমিক পড়াশোনার পর শান্তিপুর ওরিএন্টাল একাডেমী থেকে উচ্চমাধ্যমিক দিয়ে শান্তিপুর কলেজে, এরপর কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় নাট্যসাহিত্য নিয়ে স্নাতকোত্তর হন।

তবে প্রথাগত ভাবে কোনও আর্ট কলেজে তাঁর পড়া হয়ে ওঠেনি। কিন্তু ছবির প্রতি যে নিদারুণ ভালোবাসা তা তাঁর নিজস্ব ভাবনার ছবিগুলি দেখলে বোঝা যায়। জানতে পারি শিল্পীর একমাত্র পছন্দের মাধ্যম হল জলরং। যাদের সাহচর্যে শিল্পী হয়ে ওঠা তাঁরা হলেন বিশিষ্ট শিল্পী মানস ভট্টাচার্য ও অনুপ রায়। ছবিপিপাসুদের ভালোবাসায় শিল্পী সুমিতের তুলি আজও রেখায় রেখায় বহমান। শিল্পী নিজে যেমন ছবি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন ঠিক তেমনি ভাবে কচিকাঁচাদের ছবি আঁকা শেখাতেও পছন্দ করেন।

তাঁর ছবি প্রদর্শিত হয়েছে কলকাতার গগণেন্দ্র আর্ট গ্যালারি ও আকাদেমি অফ ফাইন আর্টস-এ। এছাড়াও নিজের জন্ম-শহর শান্তিপুরের কলাতীর্থ-এ সম্ভবত ২০ বারের বেশি ছবি প্রদর্শিত হয়ে রয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও একক প্রদর্শনী হয়ে ওঠেনি। পাননি নামি পুরস্কার ও সম্মান।

এসব কিছুর পাশাপাশি কাজ করেন নামি-অনামি প্রকাশনীর বিভিন্ন ধরনের বইয়ের প্রচ্ছদ ও অলংকরণ। এছাড়াও নানা রকম পোষ্টার ও পত্র-পত্রিকারও প্রচ্ছদ করতে ভালোবাসেন শিল্পী সুমিত দাস।