গৌতম পাল,কেরালা:বুধবার কোচির বিশেষ আদালতে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা(National Investigation Agency)(NIA) জানায়,কেরালার স্বর্ণ পাচার মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে দাউদ ইব্রাহিমের(Dawood Ibrahim)দলের যুক্ত থাকার সম্ভবনা রয়েছে।সোনা পাচার মামলার তদন্তকারী এনআইএ(NIA)আরও বলেছে, যে অভিযুক্ত বেশ কয়েকবার তানজানিয়ায় গিয়েছিল যেখানে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনের একটি ব্যাপক নেটওয়ার্ক রয়েছে।

যে অভিযুক্ত চোরা চালান মামলায় বেআইনী কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনকে (UAPA) চ্যালেঞ্জ করেছে।এই মামলায় কোন সন্ত্রাসী জড়িত ছিল না। দুই অভিযুক্ত এম শরফুদ্দিন এবং কেটি রামিজ বেশ কয়েকবার তান জানিয়ায় গিয়ে দাউদের সাথে দেখা করেন ফিরোজ।এনআইএ(NIA)জানিয়েছে,তারা দেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের উপায় নিয়েও আলোচনা করেছে।

এনআইএ(NIA), “সাম্প্রতিক একটি সংবাদে তানজানিয়ায় দাউদ ইব্রাহিমের হীরার ব্যবসার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়েছে যে কেরালার স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় আরেকজন অভিযুক্তের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য থেকে জানা যায় যে তিনি রামিদের সাথে আফ্রিকায় গিয়েছিলেন ।

এনআইএ(NIA)আরো অভিযোগ করেছে,যে এই মুহূর্তে ভারত থেকে অভিযুক্ত আহমেদ কুট্টি এবং রাথিশের প্রস্থান ইঙ্গিত দেয় যে দাউদ ইব্রাহিমের ‘ডি-কোম্পানি’ এর মত সংগঠন ভারতের বাইরে অভিযুক্তদের আশ্রয় দিতে পারে।
বুধবার কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এম শিবশঙ্কর( M Sivansankar) আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন।

তার আবেদনে, শিবশঙ্কর বলেন একজন দায়িত্বশীল সরকারী কর্মচারী হিসেবে, তিনি অপরাধের তদন্তে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন অভিযুক্ত এবং বিভিন্ন সাক্ষীর বক্তব্যের ভিত্তিতে ইডি তাকে একাধিকবার তলব করেছে।