সম্পন্ন হল এবং সইকথার অনুষ্ঠান

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদন : সম্প্রতি (১৭.০৯.২০) এবং সইকথা-র আয়োজনে সম্পন্ন হল ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠান ‘ অনালোচিত চন্দ্রাণী ‘। উপস্থিত ছিলেন নিভৃত -বাসের কবি চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি ও সম্পাদক বিদ্যুৎ কর এছাড়া কথা সমন্বয়ে ছিলেন ‘এবং সইকথা ‘ ই -ম্যাগাজিনের সম্পাদক কবি শীলা বিশ্বাস।

সম্পাদকের প্রারম্ভিক কথাসূত্রে ছিল চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সামাজিক বনে দু -এক মিনিট’ কবিতাটি ও কবির জীবনপঞ্জি পাঠ । আলোচক বিদ্যুৎ কর সম্পাদকের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ব্যাখ্যা করেন — নিরন্তর সৃষ্টির মধ্যে নিমগ্ন থাকা নব্বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ কবি চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা কেন বিভিন্ন পত্র -পত্রিকায় সেভাবে দেখা যায় না! এ জন্য তিনি মূলত সম্পাদকদের অনুসন্ধিৎসু মানসিকতার অভাবকেই দায়ী করেছেন।

কবিতার আলোচনায় আলোচক বলেন চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতার সবচেয়ে বড় দিক হল, প্রেম -দুঃখ -বিরহ -কাম আমাদের ভারতীয় অলংকার শাস্ত্রে যে স্থায়ী ভাবগুলি রয়েছে তাকে রসে পরিণত করার জন্য তিনি কোনো অধীত বিদ্যা বা খণ্ডিত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান নি।

বিরাট কোনো দর্শন বা তত্ত্ব নয় বরং যাপিত জীবনই কবিতায় একমাত্র সত্য। ফলে কবিতার বিষয় তাঁর কাছে কখনোই সাহিত্যের পুঁজি হয়ে ওঠেনি। তিনি যে মান্দার গাছ, ভাতের থালা, ভাঙা ঘাট, গান্দার মালা, শকুন্তলার কথা বলেন তা একান্তই তাঁর নিজের।

চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে রয়েছে কবিতা বলার এক নিজস্ব ক্লাসিক অভ্যাস, যা একাডেমিক কোন ছন্দের সঙ্গে মেলে না সবসময় অথচ তা সুচারু আভ্যন্তরীণ লয়ে সন্নিবদ্ধ। পাঠক কখন তারমধ্যে ঢুকে পড়ে তিনি নিজেও জানেন না!

অনুষ্ঠানে চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কিছু প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত কবিতা পাঠ করেন। তিনি শোনান তাঁর নানা প্রতিবন্ধকতার কথা, দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া এক রুগ্ন কবি -জীবনের কথা।
উদ্ভূত করোনা পরিস্থিতিতে এমন একটি সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে এই প্রথম চন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়কে পেয়ে দর্শকরাও আপ্লুত হন।

শেয়ার করুন

close