ঈশিতা দাশ,কলকাতা:ক্রিকেট ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাগুলির একটি।আর সেই জনপ্রিয়তম খেলাতেই থেকে গেলো ধর্ষণের মত বিষাক্ততার উদাহরণ। বুধবার চেন্নাই সুপার কিংস বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচ ঘিরে যে নোংরামির সাক্ষী ভারত থাকলো তা আমাদের কাছে অত্যন্ত লজ্জার এবং ঘেন্নারও ।

শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে কেকেআরের ১৬৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে না পারায় মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং কেদার যাদব সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিংয়ের শিকার হন।এবার আপনাদের মনে হতেই পারে ট্রোলিং তো প্রায়ই হয় কিন্তু সেই ম্যাচ ঘিরে কি এমন ঘটলো যা বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এলো এই ম্যাচ।

আমরা দেখেছি যখন পছন্দের খেলোয়াড়রা কোন একটি ম্যাচে তাদের পারফর্মমেন্স ভালো কর পারে না তখনই তাদের স্ত্রী এবং বান্ধবীদের উপর ক্ষোভের বশবর্তিতে ট্রোলিং তথাকথিত “সমর্থকদের” একটি সাধারণ প্রতিক্রিয়া, বর্তমানে তাদের প্রিয় দল যখন একটি ম্যাচ হেরে যায়, তখন এই ঘৃণা সেই দলের প্লেয়ারদের শিশু এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। ম্যাচ হারের পর যখন শত শত ধোনি ট্রোলড হয়।

এখানে বিষয়টি শালীনতা মেনে থামলে হয়তো মেনে নেওয়া যেত কিন্তু না এরপরেই টুইট এবং ফেসবুক পোস্টে ধোনির পাঁচ বছরের মেয়ে জীভাকে হুমকি দেওয়া হয়। শুধু হুমকি নয়, এগুলো ছিল ধর্ষণ এবং শারীরিক নির্যাতনের হুমকি। বুধবারের হারের পর ধোনি এবং তার স্ত্রী সাক্ষীর ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে এই হুমকি প্রকাশ্যে আসে।

১৭তম ওভারে ধোনি ১১রান (১২) করে আউট হয়ে যাওয়ার পরও সিএসকে-র ২১ বলে ৩৯ রান দরকার ছিল। অন্যদিকে কেদার যাদব 12 বলে অপরাজিত কিন্তু 7 রান করেন।
সিএসকে শেষ ৬ বলে ২৬ রান প্রয়োজন ছিল। রবীন্দ্র জাদেজা আন্দ্রে রাসেল দ্বারা বোল্ড হন।কিন্তু সিএসকের শেষ রক্ষা হল না।কেকেআর মাত্র ১০ রানে বিজয়ী হয়। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও একজন ক্রিকেটারের পরিবারকে অনলাইনে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

সম্প্রতি, অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা, যিনি বর্তমান ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে বিয়ে করেছেন, এরপর বিরাটের খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ট্রোল করা হয়েছে। শুধু ট্রোল নয়, ধারাভাষ্যকার সুনীল গাভাসকারও অনুষ্কা শর্মাকে কটাক্ষ করে দাবি করেন যে কোহলির খারাপ পারফরম্যান্স অনুশীলনের অভাবের কারণে, কারণ লকডাউন তিনি শুধুমাত্র অনুষ্কার