ভাঙা পথের রাঙা ধুলায় চতুর্থ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়ে গেল

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সংক্রমণের আতঙ্কে সকলেই যখন গৃহবন্দি, কোভিডের ছোঁয়াচ বাঁচাতে দূরত্বের পাঁচিল বেড়ে যাচ্ছে পরস্পরের মাঝে, তখন এই আন্তর্জালিক প্রচার মাধ্যমগুলি জুড়ে রাখলো মানুষকে সারা বিশ্বের সাথে।

এই অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল বিনোদন মানুষকে কোথাও বাঁচার রসদ জুগিয়ে চলেছে। গত ১০ ই সেপ্টেম্বর তেমনি লাইভ কথা ও কবিতার সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কবিতা কলিং-এর ফেসবুক পেজে। আয়োজক কবিতা কলিং ফেসবুক পেজ। সহযোগিতায় আলোপৃথিবী প্রকাশন।

চতুর্থ পর্বের এই আয়োজনে অতিথি ছিলেন কবি ও অধ্যাপক সত্যপ্রিয় মুখোপাধ্যায়। কথা সংযোজক কবি সুমিতাভ ঘোষাল। দর্শকশ্রোতাদের উপস্থিতি ও প্রশ্নোত্তরে লাইভ অনুষ্ঠানটি জমে ওঠে। আলোচনায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।

কবিতা লিখে কিছু হয় কী না এই প্রশ্নের উত্তরে উনি জ্যোতিভূষণ চাকীর কথা উল্লেখ করে বলেন, কবিতা লিখে নিজের হয়ে ওঠা তো হয়!

কবিতা মানুষের মনের ভূগোলকে বদলে দিতে পারে – কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের এই উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, কবিতার অবদান সমাজ জীবনে অপরিসীম।

তাঁর কাছে পৃথিবীর সব কবিতাতেই আছে সামাজিক উপকরণ। সামাজিক প্রেক্ষিত নেই এমন কোনো কবিতা লেখা হয়নি কোনোদিন।

কবিতায় ব্যক্তিমানুষের অন্বেষণ করা উচিৎ কী না এর উত্তরে বলেছেন কবিতার মধ্যে কবি থাকবেই, এই আলোচনায় উঠে এসেছে T.S.Eliot এর Waste Land এর প্রসঙ্গ। তাঁর স্বরে তরুণ কবিদের জন্য প্রশ্রয় ফুটিয়েছেন।

লিটিল ম্যাগাজিনের ভূমিকায় স্পর্ধার প্রশংসা করেছেন। অনুষ্ঠানের মাঝে মাঝে কবি অভিজিৎ পালচৌধুরীর সুললিত কন্ঠের উচ্চারণে কবি সত্যপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও কবি সুমিতাভ ঘোষালের কবিতাপাঠ অনুষ্ঠানকে আরো মনোজ্ঞ করে তোলে।

কবির উচ্চারণে কবিতার রমা পার্কসার্কাসে ভিজছে আজও। আজও দাঁড়িয়ে আছে প্রতীক্ষায়। থাকবে চিরকাল। কবির মতোই এই রমার প্রতীক্ষা বোধহয় আমাদের সকলেরই।

শেয়ার করুন

close