গোটা বিশ্ব আজ এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ছে।কোরোনা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য মরণপন লড়াই চালিয়ে আসছেন।কিন্তু আজও সেই প্রতিষেধক আবিষ্কার করে উঠতে পারেননি কেউই।এদিকে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।এই অবস্থায় কবে মিলবে করোনার অশনি সংকেত থেকে মুক্তি?এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারোরই। এত উৎকন্ঠার মাঝে মারণ এই ভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দাবি করেলেন চেন্নাইয়ের একজন পরমাণু বিজ্ঞানী ।



পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ কে. সুন্দর দাবি করেছেন,আগামী ২১ জুলাই সূর্যগ্রহণের পর থেকেই নাকি পৃথিবী থেকে ধীরে-ধীরে কমে যাবে অতিমারী করোনা ।তবে তার আরও দাবি, করোনাভাইরাস কোনও ভাবেই ল্যাবে তৈরি করা হয়নি।এটা সম্পূর্ণ নাকি মহাজাগতিক ঘটনা। মহাকাশের ক্ষতিকর তেজস্বীরশ্মি বিকরণের ফলে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবে এই ভাইরাসের সৃষ্টি। এদিকে গত বছর ২৬ ডিসেম্বরের পর থেকে চিনে এই মারণ ভাইরাসের আক্রমন ক্রমেই বাড়তে থাকে। ২৬ ডিসেম্বর দিনটিতেও সূর্যগ্রহণ ছিলো। ফলে আগামী ২১ জুন পরবর্তী সূর্যগ্রহণের পর এই ভাইরাসের প্রকোপ কমতে শুরু করবে।



এছাড়াও ওই বিজ্ঞানীর বক্তব্য , সূর্যগ্রহণের পরে নাকি বায়ুমণ্ডলে নানানরকম ক্ষতিকারক উপাদান তৈরি হয়। সূর্যগ্রহণের ফলে বায়ুমণ্ডল এবং ওজোন স্তরের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে। ফলে ওজোন স্তর ভেদ করে নানারকম ক্ষতিকর জিনিস পৃথিবীতে প্রবেশ করে।যার কারণে নানা রকমের রোগের সৃষ্টি হয়।
সূর্যগ্রহণের সময় বায়ো নিউক্লিয়ার ইন্টার অ্যাকশন বিভিন্ন ভাইরাস সৃষ্টি হয়।