দেশের করোনার পরিস্থিতির মাঝেই Tiktok vs youtube নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম।দাবিও ওঠে Tiktok ব্যান করার।তারপর করোনা নিয়ে চীনকে বয়কট করার ডাক অত্যে ভারতের অন্দরেই।তাদের কোনো জিনিস ব্যবহার করা হবে না বলে দাবিও জানায় অনেকে।তবে এ কথা অস্বীকার করার কোনো জায়গা নেই ভারতের ডিজিটাল দুনিয়াই সব থেকে বেশি ব্যবহৃত অ্যাপটির নাম Tiktok. যা চীনা সংস্থার তৈরী।



কোটি কোটি ভারতীয় ব্যবহার করার ফলে ভারত থেকে দৈনিক কয়েক হাজার কোটি টাকার লাভ করে চীনের ওই সংস্থা।Tiktok নিয়েও বিপদের আশঙ্কা থেকেই যায় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।তারা বলেন এই অ্যাপটি আদতে একটি ফাঁদ!Tiktok প্রেমীদের কিছু উপার্জনের ব্যবস্থা করে দিয়ে ব্যক্তিগত সব তথ্য হাতাচ্ছে চীন।দেশের সুরক্ষা দিকে বিশাল ধাক্কা আসতেই পারে। আর তাই সম্প্রতি ভারত থেকে টিকটক অ্যাপটিকে ব্যান করার জন্য আওয়াজ উঠতে শুরু করেছে।



Tiktok এর এই ডামাডোলের মাঝেই ভারতের বাজারে চলে এল একটি নতুন অ্যাপ,যা সম্পুর্ন ভাবেই দেশীয় সংস্থার তৈরি। যুব প্রজন্মের কাছে ইতিমধ্যেই আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। সূত্রের খবর, ভারতের আইআইটি রুরকি শিক্ষার্থীর তৈরি ‘মিত্রো’ অ্যাপটি ইতিমধ্যেই নতুন বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছে। অ্যাপটি ভারতের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে থাকা একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।গুগল প্লে স্টোরে একটি 4.7 স্টার রেটিং রয়েছে।



চীনা সংস্থার Tiktok এর মতই কাজ করবে। ফলে সেদিক থেকে টিকটক বিদায় যাদের কাছে অন্যতম আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছিল,তাদের কাছে এই app টি অন্যতম বিকল্প হতে পারে বলে মত অনেকেরই। প্রসঙ্গত,ভারত থেকে Tiktok ব্যান করার জন্য ইতিমধ্যেই গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে রেটিং কমানো শুরু করেছেন ভারতীয়রা।Tiktok এর রেটিং কমতে কমতে প্রায় ১-এর কাছাকাছি চলে এসেছে।



Tiktok এর রেটিং ১ হয়ে যায়, তাহলে প্লে-স্টোর পলিসি অনুসারে এই অ্যাপটি ব্যান করে দেওয়া হবে।তাই টিকটকের অভাব পূরণ করতে ইতিমধ্যেই বাজারে চলে এসেছে ভারতীয় প্রযুক্তির অ্যাপ মিত্রো। ফলে,ব্যবসা হারানোর আশঙ্কায় দিন গুনছে চীনের ওই সংস্থা।এখন Mitro নামের নতুন অ্যাপ কতটা সাফল্য পায় সেটাই এখন দেখার বিষয়।এছাড়াও ভারতের বাইরে যে বিশাল মার্কেট আছে সেখানে টিকটকের বাজার কতটা দখল করতে পারে সেটা অবশ্যই সময় বলবে।