যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হল আজ।প্রায় তিনবছর বাদে এই ভোট হওয়াতে স্বাভাবিকভাবেই সকাল থেকে রাজ্যের চোখ ছিল কলকাতার এই নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকেই। এর আগে বহুবার খবরের শিরোনামে এসেছে যাদবপুর। কখনো এনআরসি,সিএএ নিয়ে প্রতিবাদে, আবার কখনও রাজ্যপাল, বাবুল সুপ্রিয় এর মতো হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে না দেওয়া নিয়ে। বরাবর খবরের শিরোনামে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমনা মনোভাব এর জন্য অনেকটাই এগিয়ে থাকে।

আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন



যেহেতু তিন বছর বাদে ভোট স্বাভাবিকভাবেই এই ভোটকে কেন্দ্র করে গত দুই-তিন দিন যাদবপুর উত্তেজনা চোখে পড়ার মতো ছিল।যাদবপুরের ছাত্রভোটে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে এসএফআই নির্দল ডিএসএফ,ডব্লিউটিআই, টিএমসিপি এবং এবারের ভোটে প্রথম, উল্লেখযোগ্যভাবে যে কথাটি বলতেই হয় যাদবপুরের মতো লাল মাটিতে ভোটে অংশ নিয়েছিল এবিভিপি তবে তারা জয়লাভ করতে পারেনি।অন্যদিকে যাদবপুরের এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে মুখ খুলে দল ছেড়েছেন অনেকে, স্বাভাবিকভাবে ভাঙ্গন ধরেছিল এসএফআইয়ের অলিন্দে। তবে নির্বাচন শেষে ফল প্রকাশের পর দেখা গেল যে বরাবরের মতই এবারেও কলা বিভাগে এসএফআই রেকর্ডসংখ্যক ভোট পেয়ে নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছে।



পাশাপাশি বিজ্ঞান বিভাগে জিতেছে ডব্লিউটিআই এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জয় পেয়েছে এই ডব্লিউটিআই সংগঠনটি।তবে কেন্দ্রীয় আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এবিভিপি। যতটা গর্জেছিল, ঠিক ততটা তারা ফলাফল ধরে রাখতে পারল না তারা। একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তারা দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে।অন্যান্য বিভাগগুলিতে অবশ্য ধরাছোঁয়ার বাইরেই। অন্যদিকে রাজ্যের শাসক দলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে কোন খাতায় খুলতে পারিনি।



প্রসঙ্গত যাদবপুরের এই নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কা করা হচ্ছিল তবে সেরকম অশান্তি ভোটগ্রহণের দিন বা ফলাফল বেরোনোর দিন দেখা যায়নি।বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা রক্ষীদের কড়া নিরাপত্তায় চলে ভোট গ্রহণ। ডিএসএফ নেতা ও অভিক দাস জানান যে গণতান্ত্রিক অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে কিভাবে ভোট করতে সেটা যাদবপুর ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে শিখুক বড় বড় পার্টিগুলো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here